বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ

ইমরুল কায়েস এর দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৬ উইকেটে জয়লাভ করলো চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স

বঙ্গবন্ধু বিপিএলের চতুর্থ দিনের প্রথম ম্যাচে রংপুর রেঞ্জার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে আসরের দ্বিতীয় জয় তুলে নিল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। প্রথমে ব্যাট করে রংপুর মোহাম্মদ নাঈমের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রংপুরের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ২৫ রান তোলেন মোহাম্মদ শাহজাদ ও নাঈম। তবে ব্যক্তিগত ৯ রানে কেসরিক উইলিয়ামসের বলে ফিরে যান আফগানিস্তান তারকা শাহজাদ। এরপর টম আবেল ও জহুরুল ইসলামরা সুবিধে করতে পারনেনি। দলের অধিনায়ক মোহাম্মদ নবী ১২ বলে ২১ রান করলেও উইলয়ামসের দ্বিতীয় শিকার হলে নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি।

সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে অবশ্য উইকেটে অবিচল থাকেন নাঈম। ২৬ বলে তুলে নেন ঝড়ো হাফসেঞ্চুরি। সেঞ্চুরির সুযোগ থাকলেও ১৮তম ওভারে রুবেল হোসেনের বলে তুলে মারতে গিয়ে বিদায় নেন। শেষ পর্যন্ত বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান ৫৪ বলে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৭৮ রান করেন।

চট্টগ্রাম বোলারদের মধ্যে কেসরিক উইলয়ামস ও রায়ান বার্ল দুটি করে উইকেট পান। এছাড়া রুবেল হোসেন ও মাহমুদউল্লাহ একটি করে উইকেট দখল করেন।

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তুলেছিলেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের দুই ওপেনার চ্যাডউইক ওয়ালটন ও আবিস্কা ফার্নান্দো। রংপুর বোলারদের ওপর রীতিমতো তোপ দাগাচ্ছিলেন তারা। তবে অতি মরিয়া হয়ে খেলতে গিয়ে লুইস গ্রেগরির শিকার হয়ে ফিরলেন আবিস্কা।

ফেরার আগে ২৩ বলে ৩ ছক্কার বিপরীতে ২ চারে ঝড়ো ৩৭ রান করেন তিনি। এরপর ইমরুল কায়েস কে সাথে নিয়ে তাণ্ডব চালাতে থাকেন ওয়ালটন। এরপর ৩৪ বলে ৫০ করে মোহাম্মদ নবীর বলে আউট হন ওয়ালটন।

এরপর ইমরুল কায়েসকে সাথে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। ১৫ রান করে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আউট হলেও অন্য প্রান্ত থেকে দলকে জয় এনে দেন ইমরুল কায়েস। ৩৩ বলে ৪৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ইমরুল কায়েস।