বাংলাদেশ ক্রিকেট

তৃতীয় টি-টুয়েন্টি ম্যাচে একাদশে অনেক গুলি পরিবর্তন অাসতে পারে : মাহমুদউল্লাহ

আজ দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশকে ৯ উইকেটে হারিয়ে সিরিজটাই জিতে নিয়েছে পাকিস্তান। এই ম্যাচেও ছয়ের সংখ্যা বাংলাদেশের চেয়ে একটা কম। বাংলাদেশের ৩ আর পাকিস্তানের ২টি ছয়।

অভিজ্ঞতার দিক থেকেও বাংলাদেশ দল কম যায় না পাকিস্তানের থেকে। এক মুশফিকুর রহিম না থাকার হতাশার খোলস ছেড়ে বের হতে পারেনি বাংলাদেশ দল।

যেখানে পাকিস্তান দলের নিয়মিত সদস্য ইমাম উল হক, ফখর জামান, মোহাম্মদ আমীর এবং ওহাব রিয়াজও নেই এই সিরিজের দলে।

সমস্যা কি তাহলে র‍্যাঙ্কিং? এই সফরে যাওয়ার আগে টাইগার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ বলে গেলেন, র‍্যাঙ্কিং নিয়ে ভাবছি না। ভালো খেলতে চাই, ভালো ফলাফল নিয়ে ফিরতে চাই।

শেষ পর্যন্ত যা হলো সেটা, এক ম্যাচ আগেই সিরিজে হেরে গেল বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচটা এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতা।

এই ম্যাচে অন্তত ঘুরে দাঁড়াতে চায় বাংলাদেশ। তাই খেলতে চায় আক্রমণাত্মক ক্রিকেট। ম্যাচ শেষে এমনটাই জানালেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।

দ্বিতীয় ম্যাচে মোহাম্মদ মিঠুনের পরিবর্তে একাদশে জায়গা হয়েছিল তরুণ অল-রাউন্ডার মেহেদী হাসানের। বিপিএলে তিন অর্ধশতকে ২৫৩ রান আর ১৩ উইকেট নেয়া মেহেদীর কাছে প্রত্যাশাটাও ছিল বেশি। তবে হতাশ করেছে তিনিও।

আজ ব্যাট হাতে ৯ রান আর নিতে পারেননি উইকেট।

এই সফরের দলে মেহেদী হাসান ছাড়াও আছেন পেসার হাসান মাহমুদ। রিয়াদ জানালেন, শেষ ম্যাচে তরুণদের সুযোগ দেয়ার কথা।

‘একাদশে পরিবর্তন আসবে কী না নিশ্চিত না, তবে আমরা কিছু তরুণ ক্রিকেটারকে খেলিয়ে দেখতে পারি শেষ ম্যাচে। যাই করি না কেন, শেষ ম্যাচে আমরা আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলে জেতার চেষ্টা করব।’

গত ম্যাচে ১৪১ রান করেছিল টাইগাররা। আজ সেটাও পারেনি। তামিম ইকবাল একাই করেছেন ৬৫ রান। বাকি সাত ব্যাটসম্যান মিলে করেছেন ৬৮ রান। অতিরিক্ত ৮ রান মিলে ১৩৬ রান।

প্রথম ম্যাচ শেষে উইকেটের দোষ দিয়েছিলেন অধিনায়ক। আজ আর দোষ দেননি উইকেটকে।

‘তামিম ছাড়া কেউই ভালো করেনি। আমাদের ১৫০-১৬০ রান করা দরকার ছিল। এই রানটা আমরা করতে পারলে ওদের আটকানো যেত। রান করার চেষ্টা তো ছিলই। কিন্তু পাকিস্তানি বোলারদের কৃতিত্ব দিতে হয়। আমরা ম্যাচ ও সিরিজ হেরে হতাশ। ব্যাটিংয়ে আমরা ভালো করতে পারিনি। এই উইকেটটা ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো ছিল।’