বাংলাদেশ ক্রিকেট

রাজশাহীকে হারিয়ে ফাইনালে খুলনা টাইগার্স

জিতলেই ফাইনালে। ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্তর অনবদ্য হাফ-সেঞ্চুরিতে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের প্রথম কোয়ালিফাইয়ারে রাজশাহী রয়্যালসের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৫৮ রান করেছে খুলনা টাইগার্স।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৩১ রানে অল আউট হয়ে যায় রাজশাহী। এখনও ফাইনাল খেলার সুযোগ আছে রাজশাহীর। দিনের প্রথম ম্যাচে জয়ী দল চট্টগ্রামের সাথে খেলবে রাজশাহী। এই ম্যাচে যে দল জিতবে তারাই ফাইনালে খুলনার বিপক্ষে খেলবে। এদিকে ৫৭ বলে ৭৮ রানে অপরাজিত থাকেন শান্ত।

বঙ্গবন্ধু বিপিএলে সোমবার প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রাজশাহী রয়্যালসের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৫৮ রান সংগ্রহ করছে খুলনা টাইগার্স। সুতরাং, জিততে হলে রাজশাহীকে করতে হবে ১৫৯ রান।

খুলনার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত ৫৭ বলে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৭৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৩২ করেন শামসুর রহমান। ১৬ বল ২১ করে রিটায়ার্ড হার্ট হন মুশফিকুর রহিম। ৫ বলে ১২ করে অপরাজিত থাকেন নাজিবউল্লাহ জাদরান। রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে ৪ ওভারে ১৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন মোহাম্মদ ইরফান। বাকি ১টি উইকেট শিকার করেন রবি বোপারা।

এই ম্যাচে যারা জিতবে তারা সরাসরি ফাইনালে উঠে যাবে। আর যারা হারবে তারা ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ১৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের মুখোমুখি হবে। আজ এলিমিনেটর ম্যাচে ঢাকা প্লাটুনকে হারিয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ম্যাচে জায়গা করে নিয়েছে চট্টগ্রাম।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খুলনা ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে দুইটি উইকেট হারায়। মোহাম্মদ ইরফানের করা ওভারের প্রথম বলে অলক কাপালির হাতে ক্যাচ হন মিরাজ। পঞ্চম বলে টপ এজ হয়ে রাব্বীর হাতে ধরা পড়েন রুশো।

ষষ্ঠ ওভারে শোয়েব মালিকের বলে বোল্ড হয়েছিলেন শান্ত। কিন্তু বলটি নো হওয়ায় জীবন পান শান্ত। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৭৮ রানের পার্টনারশিপ করেন শান্ত ও শামসুর। ১৩তম ওভারে উড়িয়ে মারতে গিয়ে রাসেলের হাতে ক্যাচ হন শামসুর। ১৯তম ওভারে পায়ে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন মুশফিক। পরে শান্ত ও নাজিবউল্লাহ ইনিংস শেষ করে আসেন।

পয়েন্ট টেবিলে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ অবস্থানে থেকে লিগ পর্ব শেষ করেছিল খুলনা। আর ১৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে থেকে লিগ পর্ব শেষ করেছিল রাজশাহী।