বাংলাদেশ ক্রিকেট

সিলেটকে হারিয়ে বিপিএলের পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে মাশরাফি-তামিমের ঢাকা প্লাটুন

বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রেমিয়ের লীগে শনিবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট থান্ডারের বিপক্ষে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮২ রান সংগ্রহ করে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল ঢাকা প্লাটুন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৮ রান সংগ্রহ করে সিলেট। এই জযে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ঢাকা প্লাটুন।

ঢাকা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ওপেনার এনামুল হক বিজয় ৪২ বলে ৮টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৬২ রান করেন। ২৮ বলে ৩১ করেন তামিম ইকবাল।

অন্যদের মধ্যে ১২ বলে ২০ করেন জাকের আলী। ১১ বলে ২২ করে অপরাজিত থাকেন থিসারা পেরেরা। ৭ বলে ১৭ করে অপরাজিত থাকেন ওয়াহাব রিয়াজ। সিলেটের বোলারদের মধ্যে নাঈম হাসান ১টি, ইবাদত হোসেন ১টি, মোসাদ্দেক হোসেন ১টি ও দেলোয়ার হোসেন ১টি করে উইকেট নেন।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ব্যাটিংয়ে নেমে তামিম ও বিজয়ের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দ্রুত এগোতে থাকে। দলীয় ৮৫ রানে ফিরে মোসাদ্দেকের বলে স্ট্যাম্পিং হয়ে ফিরে যান তামিম। তামিম ফিরলেও ঝড় অব্যাহত ছিল বিজয়ের। দলীয় ১১০ রানে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে মোসাদ্দেকের হাতে ক্যাচ হন বিজয়।

এরপর জাকের আলী নেমে ১২ বলে ২০ রান করে ফিরে যান। ১৮তম ওভারে লং-অফে মোসাদ্দেকের হাতে ক্যাচ হন ইভান্স। শেষ দিকে থিসারা ও ওয়াহাব রিয়াজের মারমুখী ব্যাটিংয়ে বড় স্কোর করতে সক্ষম হয় ঢাকা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সিলেট। ৬০ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় সিলেটের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় ১০ রানে আন্দ্রে ফ্লেচার এর উইকেট তুলে নেন হাসান মাহমুদ। তবে কয়েকটি স্তর ব্যাটিং তাণ্ডব চালান জনসন চার্লস।

৮ বলে ১৯ রানে জনসন চার্লস রান আউট হলে নিয়ন্ত্রণ হারায় সিলেট। এরপর ধসে পড়ে সিলেটের ব্যাটিং অর্ডার। ১৪ রান করে রনি তালুকদার, ৮ রান করে মোহাম্মদ মিঠুন, এবং দুই রান করে শফিকুল্লাহ আউট হন। তবে দলকে একাই টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

নাঈম হাসান এবং দেলোয়ার হোসেন কে সাথে নিয়ে পরাজয়ের। ব্যবধান কমান অধিনায়ক মোসাদ্দেক। ৩৪ বলে এবারের আসরে নিজের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মোসাদ্দেক হোসেন। ৪৪ বলে ৬০ রান করে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক হোসেন।

ঢাকার হয়ে মাশরাফি বিন মুর্তজা দুটি হাসান মাহমুদ দুটি এবং ওহাব রিয়াজ একটি উইকেট লাভ করেন।